Quote image editor
“মেহিকো-মার্কিন কবি নাটালি সেন্টার্স-জাপিকো-র কবিতা অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী যুবকটার হাঁ-মুখের বাতিক আছে ও নিজেকে সামলাতে পারে না, মরা ফুলগুলোকে, ছেঁটেফেলা নখ, বাসি আটার বস্তা নিজের মুখে ঢোকায় । ও থামতে পারে না নিজের মুখের বিষয়ে লেখালিখি করে । যেমনভাবে ও ঘুম থেকে উঠলো মুখভরা মৌমাছি নিয়ে, তাদের মরা হুলগুলো তখনও ফোটাচ্ছে ওর মাড়িকে । ও লিখেছে : কিছু তো আছে মুখ ভেঙে ফেলার সুন্দর উপায় হিসেবে লালা আর শীতল বাতাসে । যুবতী যুবকের মুখ চাড় দিয়ে খুলে ফেললো আর তাতে ভরে দিলো সিসারঙা মাটি । মেয়েটি ওকে মুখ দিয়ে ব্রেনডেড করে ফেলতে পারল ; যুবতী মধু চেটে বের করে আনল যুবকের শ্বদাঁত থেকে, গাছের প্রাণরসের মতন । যুবকের হাঁ-মুখ, তাতে টানা দাগ গাল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে -- যুবতী কখনও দ্যাখেনি অমনতর কিছু । যুবকের মুখ একটা ক্ষত ওর খিদের, একটা ক্ষত ওর খিদের পরের পেটুকেপনার । লেখালিখি বন্ধ করো মুখ সম্পর্কে : দাঁত, মাড়ি সম্পর্কে, বেঁকা দাঁত আর তার রঙচঙে নীল আর সবুজ । লেখা থামাও কেমন করে যুবতী কামড়ে ধরল তোমার মুখ আর টর্চ জ্বেলে ঝালাই করল মুখের খোলা-বন্ধ । লেখালিখি থামাও মুখ সম্পর্কে : জিভ, পবিত্র কশের দাঁত, নিজেকে চিবিয়ে হাড় করার ক্ষয় । মুখ নিয়ে লেখা থামাও যুবকের মুখ, তোমার মুখ, যুবতীর মুখ ।” — Natalie Scenters-Zapico