Quote image editor
“ঘুঞ্চর পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা নিয়ে ওর সাথে আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা হচ্ছিল আজ। আমি- তোদের আর কী এমন লিখতে হয়। আমাদের এতো লিখতে হত, খাতা এতো মোটা হত, ওটা এক্সাম শিট না টেক্সট বুক বোঝা যেত না। ঘুঞ্চ- হ্যাঁ বাবা বলছিল, একবার তুমি খাতা জমা দিতে গিয়ে ভুল করে বেঞ্চের নীচে রাখা বইটা জমা দিয়ে এসেছিলে। আমি - তুই কি বলতে চাস আমি চিটিং করতাম? ওরে লিখতে লিখতে আমার আঙুল ক্ষয়ে যেত। ঘুঞ্চ - হ্যাঁ একবার তো ভেঙেও গেছিল, তাই না কাকাই? আমি - বাজে বকিস না। তোদের তো জলের মতো কোশ্চেন দেয়। আমাদের সময় এতো কঠিন প্রশ্ন আসত, যে স্যারেরা বুঝতে পারতো না প্রশ্ন দেখে উত্তর মেলাবে না উত্তর দেখে প্রশ্ন মেলাবে। ঘুঞ্চ - সে তো হবেই। উত্তর না জানলে তো তুমি প্রশ্নটাই ১০০ বার লিখে খাতা ভরিয়ে আসতে। আমি বুঝলাম এই নিতান্ত বালককে আমার কঠোর পরিশ্রমের কথা বোঝাতে পারবো না। তাই আর কথা বাড়াই নি।” — Mriganka Sekhar Ganguly