Quote image editor
“মে ২৭, ২০১১ ( পত্রিকা- শব্দ হরিণ) এখন, সময় থেকে কিছু হাত দূরে বসে আছি; আগুনের পোষাক পরণে কপালে কে লাগিয়েছে চন্দনের ফোঁটা তুমি বলছ- ধীর গতি জন্মদিন জন্মদিন শুভ হোক! শুভ... প্রতিবেশী যে মেয়েটি এতদিন পরে সন্তানসম্ভবা; একটু দূর ঘরে – কেমন অবশ চোখ! উলুধ্বনি দেয় আর খই উপচে পড়ে মুঠো থেকে মুঠো – পাখিরা কি খুটে খাবে? নাকি ঠোঁটে ক’রে তুলে দেবে ভুখাপেট শিশুটির মুখে... যেভাবে আমার মুখে তুলেছ আগুন! রাত্রি হ’লে আসে জ্বর; জ্বরের খোয়াবে... মাথা যে ধোয়াবে- তার সম্ভাবনা কই! জন্মেই যে কবন্ধের গন্ধ লেগে দেহে! এখন পেড়োয় পথ ছড়ানের খই। শরীরের জলছাপ, নখে খুঁটে খুঁটে- পুরোনো ডায়রি পাতা, খসে গেছে জলে; হেমন্তের রোগ যেন ধরেছে, আঙুলে ছুঁয়ে আছি কবিতার বাকি দাহ মুখ। তুমি ছুঁয়ে আছ ঠোঁট নুয়ে পড়া কথা তাতে কি অক্ষর কোন সুগন্ধার নামে...! বন্ধক ছাড়াবে নাকি জমাবে সন্দেহ? সবচেয়ে চড়া সুদ ওটাতেই পাবে! তারা এসে খসে পড়ছে বেনারসি পাড়ে। তোমার বিয়ের শাড়ি; আঁচলের গিট চুপিসারে খুলে... খেলতে নদীর ওধারে... জড়ো হচ্ছে শীত। যেসব মাছের চোখ আটকা প’ড়ে জালে পাশ ফিরলে দেখতে পাই সে চোখে তাকালে তোমার নাকের নথ্ চোখের কাজল ‘মেঘের ওজন’ বুঝি কোম্লো আজও... বন্ধুদের নীচু স্বর “বলো হরি! হরি ...” বন্ধুদের উঁচু স্বর “বলো হরি? হরি ...” বাকি সব অন্ধ আজ সব বাকি অন্ধকার শুধু দেখতে পাই- দেহ ছুঁয়ে আছে বসে আমার ঈশ্বরী।” — মৃগাঙ্কশেখর গঙ্গোপাধ্যায়