Quotessence
Home / Quotes / Quote by Tarah DeWitt

Quote by Tarah DeWitt

Work

Left of Forever

Browse quotes and source details for this work. more

Author

Tarah DeWitt

Browse famous quotes and profile details for Tarah DeWitt. more

You May Also Like

“ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন বাংলাদেশ দখল করে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় তখন বাংলার এত সম্পদ ছিল যে, একজন মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী গোটা বিলাত শহর কিনতে পারত। সেই বাংলাদেশের এই দুরবস্থা চোখে দেখেছি যে, মা মরে পড়ে আছে, ছোট বাচ্চা সেই মরা মার দুধ চাটছে। কুকুর ও মানুষ একসাথে ডাস্টবিন থেকে কিছু খাবার জন্য কাড়াকাড়ি করছে। নিজের ছেলেমেয়েকে বিক্রি করতে চেষ্টা করছে।কেউ কিনতে ও রাজি হয় নাই। বাড়ির দুয়ারে এসে চিৎকার করছে, মা বাঁচাও, কিছ খেতে দাও মরে তো গেলাম, আর পারি না, একটু ফেন দাও।” এই কথা বলতে বলতে ঐ বাড়ির দুয়ারের কাছেই মরে পরে গেছে।”

“সকলের দৃষ্টির অজান্তে এখানে একের অধিক হনন কারখানা বসেছে, কারা এন্তেজাম করে বসিয়েছেন সকলে বিশদ জানে। কিন্তু কেউ প্রকাশ করে না। ফুটন্ত গোলাপের মতো তাজা টগবগে তরুণেরা শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার পর হনন কারখানার ধারেকাছে বাস করতে করতে নিজেরাই বুঝতে পারেন না কখন যে তাঁরা হনন কারখানার কারিগরদের ইয়ার দোস্তে পরিণত হয়েছেন। তাই জাতির বিবেক বলে কথিত মহান শিক্ষকদের কারো কারো মুখমন্ডলের জলছবিতে খুনি খুনি ভাবটা যদি জেগে থাকে তাতে আঁতকে উঠার কোন কারণ নেই। এটা পরিবেশের প্রভাব। তুখোড় শীতের সময় সুঠাম শরীরের অধিকারী মানুষের হাত-পা গুলোও তো ফেটে যায়।”

“Recourse to thick narrative detail reveals that the principal hurdle in the way of a united Pakistan was not disagreement on constitutional matters but the transfer of power from military to civilian hands. More concerned with perpetuating himself in office, Yahya Khan was strikingly nonchalant about the six points. He left that to the West Pakistani politicians, in particular Bhutto, who, contrary to the impression in some quarters, was more of a fall guy for the military junta than a partner in crime.”

“...- আগামীকাল যিনি অবসর নেবেন চাকরি থেকে । অবসর তাকে ব্যস্ত করবে । এমন ব্যস্ত, যা তিনি কর্মজীবনে কোনো দিন ছিলেন না । আগামীকাল অস্থির, বিপন্ন, দিকভ্রান্ত হবেন তিনি- ঘরের অভাবে । ঘরের খোঁজে ।”

“বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের মূলে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর আদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) হত্যাযজ্ঞ না চালালে স্বাধীনতার প্রশ্নটি দৃঢ়বদ্ধ হতো না। শুধু তিনি নন, তার ছবিটিও বাঙালিকে স্বাধীনতাযুদ্ধে লিপ্ত হতে প্রণোদিত করেছে।”

“আবেদের মাথায় কিছু কথা ঢোকে, কিছু ঢোকে না। তবে অবাক হওয়ার পর সে হতাশ হয় এই ভেবে যে, তাকে হারিয়ে মেয়েটার মনে কোন হাহাকার নেই। সে যদি চাকরি চাওয়ার পরিবর্তে তার গালে দুটি চড় মারতো, তাহলে আবেদের ভালো লাগতো। তার নবলব্ধ ক্ষমতা সার্থক হতো। অর্থ-বিত্ত, ভালো একটা বাড়ি, সুন্দরী স্ত্রী পুরুষের সব নয়। আরো লাগে। এসবের একটা হলো, যাকে সে ছেঁড়া কাপড়ের পুঁটুলি বানিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে রাস্তায়, কুকুরীর মত পুরুষটির পদতলে তার বারবার ফিরে আসা। মেয়েটি সেইভাবে আসেনি। সে নিজের তালে আছে। কিন্তু যুদ্ধের আগে তো এমন ছিল না। তখন বিয়ে ছাড়া যে মেয়ে আর কিছু বুঝতো না, কয়টা পুরুষের নিচে শুয়েছে যে, এখন আর পুরুষ নয়, হন্য হয়ে চাকরি খুঁড়ছে? চেহারায় কেমন রান্ডি রান্ডি ভাব। যেন দুনিয়া জয় করে ফিরেছে। বীরাঙ্গনা মানে অসহায়-নির্যাতিত নারী, সহানুভূতির আড়ালে মানুষ সর্বান্তকরনে তাদের ঘৃনাই করে। তারপর এতো সাহস সে কোথায় পায় যে, প্রাক্তন প্রেমিকের কাছে প্রেম ফেরত না চেয়ে, চাকরি চাইতে আসে?”