Quotessence
Home / Authors / Binoy Majumdar

Binoy Majumdar Quotes

Author

Filter quotes by topic

Famous Binoy Majumdar Quotes

“אני לא מבין שירה - בנגי מאגומדר אני לא מבין שירה; זיקוקים בחושך המון אור, לא מעניין, אור רך זה יכול להיות בשמים בשמים חשוכים ככל שהטשטוש הוא השמים האמיתיים - כאשר ההרגשה הזאת מצוירת בקלות עידן הגילאים אומר לנו להמשיך, כוכב, זיקוקין - הכל; אם אתה עמוק יותר עומק חלל לא מאושר ללב החשוך יכול לתת דרך; המאמצים לנסות; כאילו אמל יכולה סוף סוף לוותר Anubhav Jyotsna; קח אותו בעניין זועם שוכב על המיטה, בשמים, יכול לקבל את דשן הלב. בורות זו מעורבת בדם בשיר הזה כמו מלח עדין, כמו שיחות סוליטייר.”

“22 Ιουνίου 1962 - Ελάτε πίσω, τον τροχό - Benoy Majumder Ας πάμε, αν το κάνεις, το νερόμυλο, τη σπασμένη καρδιά, την καρδιά. Μείνετε μακριά από όλη την ειρήνη, την ικανοποίηση, όλα ξεχασμένα. Απλά κρατήστε την καρδιά της γεμάτη από την καρδιά της. Τα μακρύτατα μάτια του ήταν στη θάλασσα, στη θάλασσα Βαθιά κλήση, σκιά, σύννεφα, windstorm, ουρανό, άνεμος Άλογα σαν τραυματικό yosemite Τις διαρκείς σκέψεις του. Πρώτη φορά σχισμένο Το μυστικό του δέρματος είναι σαν ένα μυστικό, γλυκό e-πόνο. Ας πάμε όλη τη φωτιά, το νερόμυλο, τη σπασμένη καρδιά, την καρδιά.”

“নাপিত বনাম নমঃশুদ্র নাপিত উপরে নাকি নমঃশুদ্র সম্প্রদায় উপরে — এ কথা যখন আলোচ্য হল তখন কেবলমাত্র এই বললাম সাহিত্য দিয়েও নয়, গোপাল ভাঁড়ের গল্প দিয়ে নয়, রাজনীতি দিয়ে ভাবো । কতজন মন্ত্রী হয়েছে এ নমঃশুদ্র সম্প্রদায়ে — তাই দিয়ে ভাবো । নাপিতদের কেউ মন্ত্রী হতে পারেনি তো আর বহু নমঃশুদ্র মন্ত্রী হয়েছে তো এ যাবৎ গুনে গুনে দ্যাখো । এই রাজনীতি দিয়ে বোঝা যায় নমঃশুদ্র সম্প্রদায় নাপিতের উপরেই ঠিক ।”

“কবি মধুসূদন দত্তের কবিতা : ‘চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে । কিন্তু নহি গঞ্জি তেমা, গুরুজন তুমি পিতৃতুল্য, ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে…’ মধুসূদন দত্ত এই কবিতা লেখার শ-খানেক বছর পরে মৈমনসিংহের রাজা সত্যব্রত চৌধুরী এবং চণ্ডাল আমি এক ঘরের ভিতরে দুই বছর ছিলাম — ইডেন হিন্দু হোস্টেলে । এইসব আমি ভাবি এবং অবাক হয়ে যাই । সত্যব্রত ব্রেকফাস্ট খায় FIRPO হোটেলে । এবং বর্তমানে ৭২ বছর বয়সে চা খাই তা সিনেমায় তুলে নিয়ে গেছে ঢাকার মুসলমানরা । আমি FIRPO রেস্তোঁরায় একবারই ব্রেকফাস্ট খেয়েছিলাম সত্যব্রতর সঙ্গে । ( ছোটো ছোটো গদ্য ও পদ্য [২০০৭ ]”

“চাঁদের গুহার দিকে নির্নিমেষে চেয়ে থাকি, মেঝের উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে চাঁদ, প্রকাশ্য দিনের বেলা, স্পষ্ট দেখা যায় চাঁদের গুহার দিকে নির্নিমেষে চেয়ে থাকি, ঘাসগুলো ছোটো করে ছাঁটা । ঘাসের ভিতর দিয়ে দেখা যায় গুহার উপরকার ভাঁজ । গুহার লুকোনো মুখ থেকে শুরু হয়ে সেই ভাঁজটি এসেছে বাহিরে পেটের দিকে । চাঁদ হেঁটে এসে যেই বিছানার উপরে দাঁড়াল অমনি চাঁদকে বলি, ‘তেল লাগাবে না আজ’, শুনে চাঁদ বলে ‘মাখব নিশ্চয়, তবে একটু অপেক্ষা কর’ বলে সে অয়েলক্লথ নিয়ে পেতে দিল বিছানায়, বালিশের কিছু নিচে, তারপর হেঁটে এসে চলে গেল নিকটে তাকের দিকে, একটি বোতল থেকে বাম হাতে তেল নিয়ে এল এসে তেল মাখা হাতে ভুট্টাটি চেপে ধরে । যখন ধরল তার আগেই ভুট্টাটি খাড়া হয়ে গিয়েছিল । চাঁদ আমি দুজনেই মেঝেতে দাঁড়ানো মুখোমুখি এক হাতে ঘসে ঘসে ভুট্টার উপরে চাঁদ তেল মেখে দিল ।”