Quotessence
Home / Quotes / Quote by Vladimir Nabokov

Quote by Vladimir Nabokov

“Mi coprii la faccia con la mano e piansi le lacrime più cocenti che avessi mai versato. Le sentii serpeggiare tra le dita e giù per il mento, e scottarmi, e mi si chiuse il naso, e non riuscivo a smettere, e poi lei mi toccò il polso. «Se mi tocchi muoio» dissi. «Sei sicura che non verrai con me? Non c'è speranza che tu venga? Dimmi soltanto questo». «No» rispose. «No, caro, no». Non mi aveva mai chiamato caro.”

Quote by Vladimir Nabokov

Work

Лолита; Машенька; Защита Лужина

Browse quotes and source details for this work. more

Author

Vladimir Nabokov
Vladimir Nabokov

Russian-born American novelist, best known for his novel 'Lolita'. Nabokov is renowned for his unique literary style and profound use of language and symbolism. more

You May Also Like

“রঙ তুলির পল্লী" কাল রাতে আঁকার খাতার সাথে রঙ তুলি নিয়ে ছবি আঁকতে বসেছিলাম অকস্মাৎ মনে হলো তবে আঁকি আমার হারিয়ে যাওয়া সেই পল্লীগ্রাম, তবে মনে পড়ার সাথে সাথে হৃদয়ে অনুভব করলাম প্রবীণ কিছু ব্যথা মনে পড়ে গেল আমার ছোট বোন-টার হারিয়ে যাওয়ার কথা, কি সুখেই না ছিলাম আমরা, কতো আনন্দই না হতো বোনকে সব সময় রাগাতাম তবুও ও আমাকে খুব ভালোবাসতো, আমার নিজের আপনজন বলতে ছিলো শুধু বোন তাই ওর সাথেই মেতে থাকতাম সারাক্ষন, হঠাৎ একদিন শহর থেকে চিঠি এলো নৃপতি বাবুর জরুরী এক তলব ছিলো, যখনই আমি কোন কাজে শহরে যেতাম বোনের জন্য কিছু না কিছু ঠিক কিনে আনতাম, তবে সেবার বোন সেধেই বলেছিলো, দাদা তুই যখন শহর থেকে ফিরবি আমার জন্য একটা হলুদ শাড়ি কিনে আনবি? আমি শহর থেকে ফেরার পথে ওর মনের মতো একটা হলুদ শাড়ি কিনে এনেছিলাম কিন্তু বাড়ি ফিরে ওর ধর্ষণ শরীরটা উঠানে পড়ে আছে দেখলাম, আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে চিৎকার করে বললাম, কেউ তো কিছু বলো কি করে ওর এই অবস্থা হলো, কে ওর এই সর্বনাশ করলো। পাশের বাড়ির সলিল কাকু আমায় সান্ত্বনা দিয়ে বললো, আমার বোনকে নাকি দুদিন আগে ধানক্ষেতে কারা ধর্ষণ করেছে সেই তীব্র লজ্জা, সম্মানহানী ও সহ্য না করতে পেরে গলায় দড়ি দিয়েছে, এসব শুনে আমার আকাশটা মনে হলো কেমন যানো আঁধারে ছেয়ে গেলো মনে হলো আমার সাজানো বাগান থেকে আমার পছন্দের ফুলটা কে যানো ছিড়ে নিয়ে গেলো, ঘটনার কথা পুলিশ জানার পর দোষিদের তিন মাস ধরে খোঁজ করে এবং অবশেষে তারা ধরাও পরে, তবে আমাদের দেশের আইন অনুযায়ি দোষিরা এখন আরামেই আছে তবে আমার বোন কিন্তু আর নেই আমার কাছে, এইসব ঘটনা হওয়ার পর আমি গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে আসি সব দুঃখকে ভুলে চেষ্টা করি থাকতে হাসি-খুশি, তবে আজও রাখীপূর্ণিমার দিন এলে মনে হয় গাঁয়ের ঘরে আমার বোন হয়তো আমার অপেক্ষা করছে, আজও সেই হলুদ শাড়িটার দিকে তাকালে মনে হয় বোন হয়তো আমার পাশেই আছে, এইসব কথা মনে করে কাল রাতে আর পল্লীগ্রামের ছবি আঁকা হয়ে ওঠেনি কি করেই বা আঁকবো, ভাবি সব ভুলে যাবো তবে সেই ঘটনা আজও ভুলতে পারিনি।”