Quotessence
Home / Quotes / Quote by Mriganka Sekhar Ganguly

Quote by Mriganka Sekhar Ganguly

“আমার অসুখ করে। কী যে অসুখ করে বুঝতে পারি না। ডাক্তার তাড়া দেয়- পাঠায় একাকী এক অন্ধকার ঘরে। আমি ভাবি- এ তোমার বুকের ভেতর। মেঝেতে পায়ের ছাপ, দেয়ালে নখের। বোঝা যায় এতোদিন অন্য কেউ ছিল। চলে গেছে, রেখে গেছে অপেক্ষার দাগ। এ ঘরে জানলা নেই। যেটুকু বাতাস ঐ তোমার শ্বাসের। পরজীবী বেঁচে থাকা। তুমি যদি রাগ করো, দমবন্ধ করে রাখো, আমি তবে বাঁচি কী উপায়। জানো আমি ভুলে যাই- ওষুধ সময়ে খেতে, জল ঠিক মনেও পড়ে না। ঘাম হ'লে মনে হয় - ফ্যান তো চালানো ছিল, বন্ধ হয়েছে ঠিক কবে ? অথচ তোমার কথা - মনে পড়ে মনে পড়ে ভুলতে পারি না। ওষুধটা কড়া খুব; ডাক্তার বলেছিল - ঘুম হ'লে সব সেরে যাবে। যেন এ ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট মানুষ থাকে না। ইদানিং নিজেকেও ঠিক যেন মানুষ লাগে না; মনে হয়- কোন ঘড়ি, দম দিতে ভুলে গেছে কেউ। তুমিও তো দিনমানে দু'বার তাকাও বন্ধ হয়ে পড়ে আছি তাই আর বুঝতে পারো না।”

Quote by Mriganka Sekhar Ganguly

Author

Mriganka Sekhar Ganguly

Browse famous quotes and profile details for Mriganka Sekhar Ganguly. more

You May Also Like

“যক্ষ-প্রিয়ার চিঠি দিতে নিতে মেঘ; কখন হয়েছে ঘন তার প্রেমাবেগ। অথচ প্রকাশে যত কুণ্ঠা ছিল তার ধারণে কৃষ্ণ হ'ল, বিষ-উদ্‌গার। যতবার আর ভার পারে না সে নিতে বৃষ্টি হয়ে ততবার ঝরে পৃথিবীতে।”

“এতটা পুড়িনি আগে; সেইবারও জ্বেলেছিলে, মোমবাতি মনে ক'রে। আমিও চাদর ভেবে তোমাকে জড়িয়ে গায়, সারারাত কাটিয়েছি গঙ্গার ধারে। I haven't burned this much before; Even that time you lit (me) , Thinking of (me) as a candle. I too, thinking of you as a shawl, wrapped you around my body, (and) spent the whole night by the Ganges.”

“আমার কিছুই করার থাকে না মাঝে মাঝে পুড়িয়ে দিতে হয় সদ্য পাকা ধান মাঠকে মাঠ। ১ দূরের স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেনের আওয়াজ, বুঝতে পারি ভোর হল। মনে পরে - প্রেমিকারা ডেকে দিত; একটা সময় - মায়ের গলার স্বর পাক খেয়ে ঢুকে থামত কানের ভেতর। সেসব শীতের দিনে, জানি না কোথার থেকে আজানের ডাক- বাবার রাস্তা ধ’রে কোচিং যেতাম। কোনদিন সময়েতে এলার্ম বাজে নি, তোমার যাওয়ার, তাই, বহু পর ঘুম ভেঙেছিল। কিছুকিছু ঘুম থাকে- ভাঙলে, বহুদিন কোন ঘুম আসে না। দূরের স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেনের ডাক, চলে যাচ্ছি কলকাতা ছেড়ে। ২ দাদা কবে কলকাতা ছেড়ে গ্যালো মনে পড়ে না। কিছুকিছু ছেড়ে যাওয়া বহুদিন না বোঝাই থাকে। বন্ধুরা বিদেশ গেলে কলকাতাও বহুদিন বুঝতে পারে না- কখন ত্রিকোণমিতি, ভূমিকেও লম্ব করে দেয়। ৩ আমরা আর কোন মিছিলে দাঁড়াব না হারাব না কোন ব্রাজিল বেঙ্গল ধমকে কেড়ে নেওয়া হাতের সিগারেট দু এক দিন থাক কথাও বন্ধ গোর্খা মেয়েটিকে বলাও হবে না রবির গানে তার এখনো চোখে জল আমরা ছেড়ে যাব - বিদেশে কলকাতা, গুগুল আর্থে প্রিয় মফস্বল। ৪ রাস্তারা এখন আর বাড়ি অব্ধি ছেড়ে যায় না বলে না, বোকাচোদা, আমার গা’য় না, একটু ঝুঁকে ড্রেনে বমি কর। বন্ধুরা বাইরে চলে গেলে কলকাতার রাস্তাঘাট নির্লিপ্ত হয়ে যায়।”

“একটা গুরুত্বহীন প্রশ্ন করেছেন এক অনুজ: 'শূন্যের কবি' কথাটির ব্যাপ্তি কতটুকু? বললাম, তুমি কি তাদের পথানুসরণ করতে চাচ্ছ, যারা নামের আগে এ জাতীয় তকমা পাকাপোক্ত করে রাতারাতি জীবনানন্দ বনে যেতে চায়?”