Quotessence
Home / Quotes / Quote by Ocean Vuong

Quote by Ocean Vuong

“He was a boy breaking out and into himself at once. That's what I wanted—not merely the body, desirable as it was, but its will to grow into the very world that rejects its hunger. Then I wanted more, the scent, the atmosphere of him, the taste of French fries and peanut butter under the salve of his tongue, the salt around his neck from two hour drives to nowhere and a Burger King at the edge of the county, a day of tense talk with his old man, the rust from the electric razor he shared with that old man, how I would always find it on the sink in its sad plastic case, the tobacco, weed and cocaine smoke on his fingers mixed with motor oil, all of it accumulating into the afterscent of wood smoke caught and soaked in his hair, as if when he came to me, his mouth wet and wanting, he came from a place on fire, a place he could never return to.”

Quote by Ocean Vuong

Work

On Earth We're Briefly Gorgeous

Browse quotes and source details for this work. more

Author

Ocean Vuong

Browse famous quotes and profile details for Ocean Vuong. more

You May Also Like

“স্বপ্ন পান্ডুলিপি কাছে রেখে ধূসর দীপের কাছে আমি নিস্তব্ধ ছিলাম ব'সে; শিশির পড়িতেছিলো ধীরে-ধীরে খ'সে; নিমের শাখার থেকে একাকীতম কে পাখি নামি উড়ে গেলো কুয়াশায়, — কুয়াশার থেকে দূর-কুয়াশায় আরো। তাহারি পাখার হাওয়া প্রদীপ নিভায়ে গেলো বুঝি? অন্ধকার হাৎড়ায়ে ধীরে-ধীরে দেশলাই খুঁজি; যখন জ্বালিব আলো কার মুখ দেখা যাবে বলিতে কি পারো? কার মুখ? —আমলকী শাখার পিছনে শিঙের মত বাঁকা নীল চাঁদ একদিন দেখেছিলো তাহা; এ-ধূসর পান্ডুলিপি একদিন দেখেছিলো, আহা, সে-মুখ ধূসরতম আজ এই পৃথিবীর মনে। তবু এই পৃথিবীর সব আলো একদিন নিভে গেলে পরে, পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন, মানুষ র'বে না আর, র'বে শুধু মানুষের স্বপ্ন তখনঃ সেই মুখ আর আমি র'বো সেই স্বপ্নের ভিতরে।”

“ওঃ মরে যাব মরে যাব মরে যাব আমার চামড়ার লহমা জ্বলে যাচ্ছে অকাট্য তুরুপে আমি কী কোর্বো কোথায় যাব ওঃ কিছুই ভাল্লাগছে না সাহিত্য-ফাহিত্য লাথি মেরে চলে যাব শুভা শুভা আমাকে তোমার তর্মুজ আঙরাখার ভেতর চলে যেতে দাও চুর্মার অন্ধকারে জাফ্রান মশারির আলুলায়িত ছায়ায় সমস্ত নোঙর তুলে নেবার পর শেষ নোঙর আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে আর আমি পার্ছি না, অজস্র কাঁচ ভেঙে যাচ্ছে কর্টেক্সে আমি জানি শুভা, যোনি মেলে ধরো, শান্তি দাও প্রতিটি শিরা অশ্রুস্রোত বয়ে নিয়ে যাচ্ছে হৃদয়াভিগর্ভে শাশ্বত অসুস্হতায় পচে যাচ্ছে মগজের সংক্রামক স্ফুলিঙ্গ মা, তুমি আমায় কঙ্কালরূপে ভূমিষ্ঠ করলে না কেন ? তাহলে আমি দুকোটি আলোকবষহ ঈশ্বরের পোঁদে চুমো খেতুম কিন্তু কিছুই ভলো লাগছে না আমার কিচ্ছু ভালো লাগছে না একাধিক চুমো খেলে আমার গা গুলোয় ধর্ষণকালে নারীকে ভুলে গিয়ে শিল্পে ফিরে এসেছি কতদিন কবিতার আদিত্যবর্ণা মূত্রাশয়ে এসব কী হচ্ছে জানি না তবু বুকের মধ্যে ঘটে যাচ্ছে অহরহ সব ভেঙে চুরমার করে দেব শালা ছিন্নভিন্ন করে দেব তোমাদের পাঁজরাবদ্ধ উৎসব শুভাকে হিঁচড়ে উঠিয়ে নিয়ে যাব আমার ক্ষুধায় দিতেই হবে শুভাকে ওঃ মলয় কোল্কাতাকে আর্দ্র ও পিচ্ছিল বরাঙ্গের মিছিল মনে হচ্ছে আজ কিন্তু আমাকে নিয়ে আমি কী কোর্বো বুঝতে পার্ছি না আমার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আমাকে মৃত্যুর দিকে যেতে দাও একা আমাকে ধর্ষণ ও মরে যাওয়া শিখে নিতে হয়নি প্রস্রাবের পর শেষ ফোঁটা ঝাড়ার দায়িত্ব আমায় শিখতে হয়নি অন্ধকারে শুভার পাশে গিয়ে শুয়ে পড়া শিখতে হয়নি শিখতে হয়নি নন্দিতার বুকের ওপর শুয়ে ফরাসি চামড়ার ব্যবহার অথচ আমি চেয়েছিলুম আলেয়ার নতুন জবার মতো যোনির সুস্হতা যোনোকেশরে কাঁচের টুকরোর মতন ঘামের সুস্হতা আজ আমি মগজের শরণাপন্ন বিপর্যয়ের দিকে চলে এলুম আমি বুঝতে পার্ছি না কী জন্যে আমি বেঁচে থাকতে চাইছি আমার পূর্বপুরুষ লম্পট সাবর্ণচৌধুরীদের কথা আমি ভাবছি আমাকে নতুন ও ভিন্নতর কিছু কোর্তে হবে শুভার স্তনের ত্বকের মতো বিছানায় শেষবার ঘুমোতে দাও আমায় জন্মমুহূর্তের তীব্রচ্ছটা সূর্যজখম মনে পড়ছে আমি আমার নিজের মৃত্যু দেখে যেতে চাই মলয় রায়চৌধুরীর প্রয়োজন পৃথিবীর ছিল না তোমার তীব্র রূপালি য়ূটেরাসে ঘুমোতে দাও কিছুকাল শুভা শান্তি দাও, শুভা শান্তি দাও তোমার ঋতুস্রাবে ধুয়ে যেতে দাও আমার পাপতাড়িত কঙ্কাল আমাকে তোমার গর্ভে আমারই শুক্র থেকে জন্ম নিতে দাও আমার বাবা-মা আন্য হলেও কি আমি এরকম হতুম ? সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শুক্র থেকে মলয় ওর্ফে আমি হতে পার্তুম ? আমার বাবার অন্য নারীর গর্ভে ঢুকেও কি মলয় হতুম ? শুভা না থাকলে আমিও কি পেশাদার ভদ্রলোক হতুম মৃত ভায়ের মতন ? ওঃ বলুক কেউ এসবের জবাবদিহি করুক শুভা, ওঃ শুভা তোমার সেলোফেন সতীচ্ছদের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীটা দেখতে দাও আমায় পুনরায় সবুজ তোশকের ওপর চলে এসো শুভা যেমন ক্যাথোড রশ্মিকে তীক্ষ্ণধী চুম্বকের আঁচ মেরে তুলতে হয় ১৯৫৬ সালের সেই হেস্তনেস্তকারী চিঠি মনে পড়ছে তখন ভাল্লুকের ছাল দিয়ে সাজানো হচ্ছিল তোমার ক্লিটোরিসের আশপাশ পাঁজর নিকুচি করা ঝুরি তখন তোমার স্তনে নামছে হুঁশাহুঁশহীন গাফিলতির বর্ত্মে স্ফীত হয়ে উঠছে নির্বোধ আত্মীয়তা আ আ আ আ আ আ আ আ আ আঃ মরে যাব কিনা বুঝতে পার্ছি না তুল্কালাম হয়ে যাচ্ছে বুকের ভেতরকার সমগ্র অসহায়তায় সব কিছু ভেঙে তছনছ করে দিয়ে যাব শিল্পের জন্যে সক্কোলকে ভেঙে খান-খান করে দোব কবিতার জন্যে আত্মহত্যা ছাড়া স্বাভাবিকতা নেই শুভা আমাকে তোমার লাবিয়া ম্যাজোরার স্মরণাতীত অসংযমে প্রবেশ কোর্তে দাও দুঃখহীন আয়াসের অসম্ভাব্যতায় যেতে দাও বেসামাল হৃদয়বত্তার স্বর্ণসবুজে কেন আমি হারিয়ে যাইনি আমার মায়ের যোনিবর্ত্মে ? কেন আমি পিতার আত্মমৈথুনের পর তাঁর পেচ্ছাপে বয়ে যাইনি ? কেন আমি রজোস্রাবে মিশে যাইনি শ্লেষ্মায় ? অথচ আমার নীচে চিত আধবোজা অবস্হায় আরামগ্রহণকারিণী শুভাকে দেখে ভীষণ কষ্ট হয়েছে আমার এরকম অসহায় চেহারা ফুটিয়েও নারী বিশ্বাসঘাতিনী হয় আজ মনে হয় নারী ও শিল্পের মতো বিশ্বাসঘাতিনী কিছু নেই এখন আমার হি২স্র হৃৎপিণ্ড অসম্ভব মৃত্যুর দিকে যাচ্ছে মাটি ফুঁড়ে জলের ঘূর্ণি আমার গলা ওব্দি উঠে আসছে আমি মরে যাব ওঃ এসমস্ত কী ঘটছে আমার মধ্যে আমি আমার হাত হাতের চেটো খুঁজে পাচ্ছি না পায়জামায় শুকিয়ে-যাওয়া বীর্য থেকে ডানা মেলছে ৩০০০০০ শিশু উড়ে যাচ্ছে শুভার স্তনমণ্ডলীর দিকে ঝাঁকে-ঝাঁকে ছুঁচ ছুটে যাচ্ছে রক্ত থেকে কবিতায় এখন আমার জেদি ঠ্যাঙের চোরাচালান সেঁদোতে চাইছে হিপ্নোটিক শব্দরাজ্য থেকে ফাঁসানো মৃত্যুভেদী যৌনপর্চুলায় ঘর”

“In intimacy there exists a line That can't be crossed by passion or love's art -- In awful silence lips melt into one And out of love to pieces bursts the heart. And friendship here is impotent, and years Of happiness sublime in fire aglow, When soul is free and does not hear The dulling of sweet passion, long and slow. Those who are striving toward it are in fever, But those that reach it struck with woe that lingers. Now you have understood, why forever My heart does not beat underneath your fingers.”

“The things that make a great job great...are rare and valuable. If you want them in your working life, you need something rare and valuable to offer in return In other words, you need to be good at something before you can expect to get a good job.”